যার বদনজর লেগেছে, তাকে জানা থাকলে
যদি নির্দিষ্টভাবে জানা যায় যে কার বদনজর লেগেছে, তবে সুন্নাহ পদ্ধতি হলো ওই ব্যক্তিকে ওজু করতে বলা। তার ওজু করা বা গোসল করা পানি দিয়ে আক্রান্ত ব্যক্তিকে গোসল করালে আল্লাহর রহমতে সাথে সাথে বদনজরের প্রভাব কেটে যায়।
সাধারণ রুকইয়াহ পদ্ধতি
যদি বদনজর দানকারীকে চেনা না যায়, তবে নিজের ওপর সেলফ-রুকইয়াহ করতে হবে। সূরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসি, এবং সূরা ইখলাস, ফালাক, নাস পড়ে নিজের দুই হাতে ফুঁ দিন এবং সারা শরীর মুছে নিন। এটি প্রতিদিন সকালে ও রাতে অন্তত একবার করুন।
বিশেষ দোয়া
রাসূল (সা.) একটি দোয়া বেশি বেশি পড়তেন: 'আউযু বিকালিমাতিল্লাহিত তাম্মাহ, মিন কুল্লি শায়ত্বানিন ওয়া হাম্মাহ, ওয়া মিন কুল্লি আইনিন লাম্মাহ' (আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ কালিমাসমূহের আশ্রয় চাচ্ছি—প্রত্যেক শয়তান ও ক্ষতিকর প্রাণী থেকে এবং প্রত্যেক ক্ষতিকর বদনজর থেকে)। এই দোয়াটি অ্যাপের 'দোয়া' সেকশন থেকে শিখে নিতে পারেন।
পানি ও তেলের ব্যবহার
বদনজরের ক্ষেত্রে রুকইয়াহ করা পানি পান করা এবং রুকইয়াহ করা তেল মালিশ করা খুবই উপকারী। এক গ্লাস পানিতে উপরের সূরাগুলো পড়ে ফুঁ দিন এবং পান করুন। একইভাবে কালোজিরার তেলে ফুঁ দিয়ে তা ব্যথার স্থানে বা বুকে-পিঠে মালিশ করুন।
গোসলের আমল
বদনজরের জন্য বরই পাতার গোসল খুব কার্যকর। ৭টি বরই পাতা বেটে বা গুঁড়ো করে এক বালতি পানিতে মেশান। এরপর সেই পানিতে আয়াতুল কুরসি এবং তিন কুল (ইখলাস, ফালাক, নাস) পড়ে ফুঁ দিন এবং সেই পানি দিয়ে গোসল করুন।