রাতের বেলা শয়তানের প্রভাব বেশি থাকে। ঘুমানোর আগে রাসূল (সা.)-এর শেখানো আমলগুলো করলে সারারাত ফেরেশতারা পাহারাদার হিসেবে কাজ করে।
আয়াতুল কুরসি
রাতে ঘুমানোর আগে একবার আয়াতুল কুরসি পড়লে, আল্লাহর পক্ষ থেকে সারারাত একজন পাহারাদার নিযুক্ত থাকে এবং শয়তান কাছে আসতে পারে না। (সহিহ বুখারি)।
তিন কুলের আমল
দুই হাত একত্রে মিলিয়ে সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক এবং সূরা নাস পড়ে হাতে ফুঁ দিন। এরপর মাথা, মুখমণ্ডল এবং শরীরের সামনের অংশ থেকে শুরু করে যতটুকু সম্ভব মুছে নিন। এভাবে মোট তিনবার করুন। এটি নবীজি (সা.)-এর নিয়মিত আমল ছিল।
সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত
রাসূল (সা.) বলেছেন, 'যে ব্যক্তি রাতে সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত তিলাওয়াত করবে, তা তার জন্য যথেষ্ট হবে।' (সহিহ বুখারি)। এই আয়াতগুলো যেকোনো বিপদ ও শয়তানের আক্রমণ থেকে হিফাজতের জন্য খুবই কার্যকর।
অজু অবস্থায় ঘুমানো
ঘুমানোর আগে অজু করে নেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ। এর ফলে ঘুমটাও ইবাদতে পরিণত হয় এবং দুঃস্বপ্ন বা জিনের আসরের ভয় থাকে না।